ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

মন্ত্রিসভার বৈঠকে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া অনুমোদন

বগুড়া ও এর আশপাশের এলাকাকে পরিকল্পিত, আধুনিক ও দুর্যোগ সহনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।তবে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে আইনটি কার্যকর হবে।


এই আইন কার্যকর হলে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকায় নতুন কোনো নির্মাণ বা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “প্রস্তাবিত আইনের লক্ষ্য হল বগুড়া ও সংলগ্ন এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অপরিকল্পিত নগরায়ন প্রতিরোধ, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন গড়ে তোলা  আইন অনুযায়ী, ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠন করা হবে। এতে একজন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন।


কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মহাপরিকল্পনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্থানীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো প্রণয়ন করবে। খসড়া আইনে নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে ল্যান্ড রি-অ্যাডজাস্টমেন্ট পদ্ধতি চালুর বিধান রাখা হয়েছে, যেখানে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ ভূমির মালিকের সম্মতিতে ভূমি পুনর্বিন্যাস করা যাবে। এছাড়া ল্যান্ড রি-ডেভেলপমেন্টের মত আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কৌশলও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


অনুমোদিত নির্মাণ, জলাধার ভরাটসহ আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল গঠন, উন্নয়ন ফি আদায়, ঋণ গ্রহণ এবং হিসাব নিরীক্ষার ব্যবস্থাও আইনে অন্তর্ভুক্ত থাকছে।

ads
ads
ads

Our Facebook Page